• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
Test শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়কগুলো খানাখন্দে বেহাল অবস্থা, সংস্কারে নেই কোন বাজেট গীতার আলোয় নৈতিক ও মানবিক প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে ‘গীতারধ্বনি’ পুরস্কার বিতরণী সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে কূটনাশক খাইয়ে তিন অবুঝ সন্তানকে হত্যা,পিতারও কীটনাশক পান নবীনগর সদর বাজারে কিশোর গ্যাংয়ের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে এক কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক আনন্দ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সোনালি দিনের সিনেমার গানগুলো অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম। চাঁদগাঁও থানা ঘিরে অপরিকল্পিত পার্কিং ও যাত্রী ওঠানামায় যানজটের দুর্ভোগ সীমান্তে মিলল নিখোঁজ শিশু শাকিলের মরদেহ  সরকারি প্রকল্পের টাকায় ‘৫০ শতাংশ কমিশন’মসজিদ-মন্দির-কবরস্থানও রক্ষা পেল না নেপথ্যে পিআইও রিয়াজুল। তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্ত দিবসে জাবেদ আহমেদ সুমনের শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা

কুরবানির ঈদকে ঘিরে নাসিরনগরের কামার পল্লীগুলোতে বেড়েছে হাতুরির টুং টাং শব্দ, ‎বেড়েছে ব্যস্ততা, ‎

Reporter Name / ১৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিরনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃ

‎পবিত্র ঈদুল আজহা কোরবানি ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠেছে কামার পল্লীর ব্যস্ততা। নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন কামার পল্লীতে ঢুকলেই কানে আসে টুংটাং শব্দ—হাতুড়ি ও লোহা-পেটানো যন্ত্রপাতির শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা। বছরের বেশিরভাগ সময় অলস সময় কাটালেও, ঈদুল আজহার কুরবানর ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুণ।
‎কামারপাড়ার একাধিক দোকানে গিয়ে দেখা যায়, কামাররা ঘাম ঝরিয়ে তৈরি করছেন দা, বটি, চাপাতিসহ বিভিন্ন মাংস কাটার যন্ত্রপাতি। কোরবানির মাংস প্রক্রিয়াজাত করার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
‎মাংস কাটার সরঞ্জাম কিনতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন, ‘বাজারে বিভিন্ন ধরনের ছুরি পাওয়া যায়, কিন্তু সেগুলো টেকসই না। কামারদের তৈরি লোহার দা-বটি ছুড়ি অনেক মজবুত এবং কাজের মানও ভালো হয়। তবে এবার দাম কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে।’
‎
‎আরেক ক্রেতা  রতন মিয়া বলেন, ‘কোরবানির ঈদের আর বেশি দিন নেই। তাই আগে থেকেই দা, চাপাতিসহ দরকারি জিনিস কিনে নিচ্ছি। ঈদের সময় প্রচণ্ড ভিড় হয়, সময় বাঁচাতেই আগেভাগে এসেছি।’
‎বিক্রেতারা বলেন, ‘একটা দা-বটি বা ছুরি বানাতে অনেক খরচ হয়, কিন্তু সেই তুলনায় দাম ঠিকমতো পাওয়া যায় না। তাছাড়া এখন বিদেশি দা-বটি, ছুরি ও বাজারে ঢুকেছে, যার প্রভাব পড়েছে আমাদের বিক্রিতে। তারপরও ঈদের জন্য কিছুটা বিক্রি বেড়েছে। ’‘নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও কৃষি যন্ত্রপাতি আধুনিক হওয়ায় আমাদের পণ্যের চাহিদা কমেছে।
‎প্রতিবছর কোরবানির ঈদকে ঘিরে লোহা ও কয়লার দাম বেড়ে যায়। খরচ বাড়লেও আমাদের আয় বাড়েনি।’
‎এভাবেই কুরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছে কামারপাড়া। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই শিল্প পেছনে পড়ে গেলেও কোরবানির ঈদ এলে এখনো এই প্রাচীন পেশায় খানিকটা প্রাণ ফিরে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা